প্রবাসীরা নবাবজাদা না হারামজাদা : অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি : শেখ মহিতুর রহমান বাবলু


প্রবাসীরা নবাবজাদা না হারামজাদা : অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি : শেখ মহিতুর রহমান বাবলু

শেখ মহিতুর রহমান বাবলু : গোটা বিশ্বের মানুষ যখন করোনা আতঙ্কে থর থর করে কাঁপছে। ঠিক সেই মুমূর্তে অর্থাৎ  গত ১৫ মার্চ রোববার  বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী  বলেন "প্রবাসীরা দেশে এলে নবাবজাদা হয়ে যান"। খবরটি  শুনে আমার  বুকের মধ্যে কুল কুল করে রক্তক্ষরণ শুরু হয় ।সহ্য করতে না পেরে  ফেইসবুকে  একটা স্ট্যাটাস দেই । সাথে সাথে অগণিত প্রবাসী  মন্ত্রীর এই দাম্ভিকতা ও অমানবিক আচরণের  জবাবে কিছু একটা লেখার জন্য অনুরোধ পাঠাতে থাকে।ভেবেছিলাম কিছুই লিখবো না ।এমনিতেই আমার বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের অযৌতিক কাজের  সমালোচনা করার  অভিযোগ আছে  ।লন্ডনস্থ হাইকমিশনে আমি কালো তালিকা ভুক্ত।ভয়ে দেশে যাওয়া হচ্ছে না অনেক দিন। আমার অনলাইন পোর্টাল ঢাকা থেকে বন্ধ রাখা হয়েছিল। সব মিলিয়ে আর ঝামেলা বাড়াতে ইচ্ছা করে না।   কিন্তু অনেক পাঠকের অবিরাম অনুরোধের প্রেক্ষিতে  লিখতে হলো ।

রেমিটেন্স যোদ্ধা নামে খ্যাত প্রবাসীরা বাংলাদেশের অমূল্য সম্পদ। দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে এদের বিকল্প নেই। ১৯৭১  সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় প্রবাসীদের ভূমিকা জাতি কোনোদিনও ভুলতে পারে না। বর্তমার স্বাধীন বাংলাদেশের স্বাধীনতা রক্ষা ও অর্থনৈতিক মুক্তি টিকিয়ে রাখতেও প্রবাসীদের পাঠানো অমূল্য সম্পদ বৈদেশিক মুদ্রা দেশের জন্য বড় নিয়ামক। বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিনা খরচে  প্রবাসীদের মাধ্যমেই  সবচাইতে বেশী বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন হয়। দেশের অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখছে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ। খুব স্পষ্টভাবে আমাদের শিকার করা উচিত যে প্রবাসীরা শুধু বৈদেশিক মুদ্রা পাঠায় না ,এরা দেশের  অর্থনীতি ,সমাজ ও জীবন ধারায় একটি শক্তিশালী প্রবাহ। এরা ক্ষমতার ভাগ চায় না। বাড়তি সম্মান চায় না। বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে অহেতুক কিছুই আবদার করে না।এরা চড়া মূল্যে বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশী মিশনগুলো থেকে সেবা নিয়ে থাকে।  প্রবাসীরা চায় নূন্যতম  নিরাপত্তা। দেশে অবস্থানকালে স্বজনদের সাথে শান্তি ও নির্বিঘ্নে সময় কাটানোর গ্যারান্টি । প্রবাসীদের এ ন্যায্য  দাবি অমূলক নয়। তাদের অধিকার পূরণের জন্য সরকার প্রবাসী মন্ত্রণালয় করেছে। প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে ব্যাংকিং কার্যক্রম চালানোর চেষ্টা অব্যাহত আছে।বর্তমান সরকার প্রবাসীদের  দাবি  পূরণে  প্রতিজ্ঞা বদ্ধ।

 দেশের বাইরে এসে আমাদের মন্ত্রী ,এমপি ও সরকারের উর্দ্ধতম কর্মকর্তারা এধরণের কথা বলেন।শুনলে কলিজা ঠান্ডা হয়ে যায়। দেশের জন্য জীবন বাজি রেখে অনেক কিছুই করতে ইচ্ছা করে। তবে বাস্তবতার নিরিখে তাদের এই সরল ও সাবলীল স্বীকারোক্তি আমার কাছে নিছক রাজনৈতিক প্রপাকান্ডা ছাড়া আর কিছুই মনে হয় না। বিদেশ ভ্রমণ কালে প্রবাসীদের কাছ থেকে বাড়তি সুযোগ সুবিধা আদায় ও মূল্যবান উপঢোকন নেবার জন্য এসব মিথ্যার ফুলঝুরি করেন তারা।

সরকার প্রবাসী মন্ত্রণালয় করেছে। মন্ত্রী বেড়েছে। দেশের অর্থের শ্রাদ্ধ  হচ্ছে। কিন্তু প্রবাসীদের কি উপকার হয়েছে ?বিমানের স্বেচ্ছাচারিতা ,এয়ারপোর্টের হয়রানি ,দালালের তৎপরতা ,বাংলাদেশ মিশনগুলোর অবহেলার অবসান  ,দেশে প্রবাসীদের জমি গাড়ি বাড়ি দখল ,ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থের  নিরাপত্তা, পুলিশ হয়রানি ,সাদাপোশাকধারীদের নির্যাতন , সহজে অল্পসময়ে জাতীয় পরিচয় পত্র পাবার ব্যবস্থা ? কিছুই হয়নি। বরং দিন দিন সমস্যার তালিকা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

রপ্তানি খাত থেকে দেশে বৈদেশিক মুদ্রা আসে সত্যি। কিন্তু সেখানে সরকারের ভর্তুকির পরিমাণও কম নয়। অথচ প্রবাসীদের জন্য সরকারের বাড়তি কোনো খরচ নাই। নেই কোনো দায়বদ্ধতা। প্রবাসীরা নিজের গরজে ও নিজের খরচে অনেকসময় জীবনের কঠিন ঝুঁকি নিয়ে বিদেশে আসে।প্রবাস জীবনে তারা বৈদেশিক মুদ্রায় বাংলাদেশের চাল ,ডাল সবজি ,মসলা ,কাপড় চোপড় ইত্যাদি কিনে ব্যবহার করে।নিজেকে ও পরিবারকে বঞ্চিত করে  হাড় খাটা পরিশ্রমের পর উচ্ছিষ্ট যে অর্থ থাকে সেটা পাঠায় বাংলাদেশে।


প্রবাসে ইন্ডিয়া ,পাকিস্তান, শ্রীলংকা সহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের কোনো প্রকার অসুবিধা হলে মিশনগুলো সাথে সাথে সাহায্য সহযোগিতার জন্য এগিয়ে আসে। স্থানীয়   প্রশাসনের সাথে দেন দরবার করে। কিন্তু প্রবাসে বিশাল বাংলাদেশী জনগোষ্ঠীর ব্যাপারে বাংলাদেশ মিশনের দায়িত্ব পালনে অনিচ্ছা ,ঔদাসীন্য অথবা অযোগ্যতা এই জনগোষ্ঠীর অধিকাংশ মানুষ হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে যুগ যুগ ধরে ।এগুলো দেখার কেউ নেই।

প্রবাসী বাংলাদেশিরা এভাবে পদে পদে নানা ভাবে নির্যাতিত।প্রবাস  জীবনের এই চরম ও পরম দুর্যোগপূর্ণ মুহূর্তে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, প্রবাসীরা দেশে এলে নবাবজাদা হয়ে যান। তাঁরা কোয়ারেন্টিনে যাওয়ার বিষয়ে খুব অসন্তুষ্ট হন। ফাইভ স্টার হোটেল না হলে তাঁরা অপছন্দ করেন।
সরকারের দায়িত্বশীল  এই মন্ত্রীর কথা শুনে আমার মনে হয়েছে উন্নয়নের মহাসড়কে নয় ,বিপদাপন্ন এক বন্ধুর পাহাড়ি পথে শিশুর মতো হাটছে বাংলাদেশ। এ ঘটনা প্রবাসে বসবাসরত প্রায় দেড়কোটি বাংলাদেশির অস্তিত্বে আঘাত লেগেছে। আমার ৩৩ বছরের প্রবাস জীবনে প্রবাসীদেরকে এতো বিক্ষুব্দ হতে দেখিনি। যারা দলকানা অর্থাৎ যাদের বিবেক মরে গেছে তারাও এখন আর চুপ থাকতে পারছেন  না।


 ড মোমেনের এ ধরণের উক্তি পলাশীর প্রান্তে মীরজাফরের বিস্বাসঘাতকাতেও হার মানিয়েছে।মীর জাফর অন্তত যুদ্ধের ময়দানে তার বাহিনী নিয়ে নিষ্ক্রিয় ছিল। নবাব সিরাজের দিকে নল তাক  করেনি। চক্ষুলজ্জার খাতিরে নবাবের বুকে ছুরি বসিয়ে দেন নি। কিন্তু একজন মন্ত্রী সেই কাজটি করলেন।

পরে নিজেদের দুর্বলতার কথা স্বীকার করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের তো দৈন্য আছে। এটা তো একটা বিশেষ অবস্থা। আমরা যাঁদের নিয়ে আসি, তাঁদের হজ ক্যাম্পে রাখি, এখন আরও কয়েকটা হাসপাতালও জোগাড় করেছি।
হজ ক্যাম্পে রাখা, স্বাস্থ্য   পরীক্ষা করা মোটেও অপরাধের কিছু না।দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠীর স্বার্থে এটা সময়উপযোগী পদক্ষেপ।এমন একটি পদক্ষেপের জন্য সরকারকে অভিনন্দন। 
যারা হাজি ক্যাম্পে ছিলেন তাদের অনেকে সোশ্যাল মিডিয়াতে ছবি  পোস্ট করেছেন ।ক্যাম্পের ভিতরের বিবরণ  দিয়েছেন অনেকে ।


সত্য যে হাজী ক্যাম্পের  ওয়াশরুম বা অভ্যন্তরীণ অবস্থা ভীষণ নাজুক।চরম অস্বাস্থকর।দিনের পর দিন এমন পরিবেশ  ভাইরাস ছড়াবার আদর্শ জায়গা বলে যে কেউ মনে করতেই পারেন ।তাছাড়া বিদেশিরা তো দূরের কথা, দেশের নিন্ম মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষও  এভাবে থাকতে অভ্যস্থ না। দীর্ঘ ভ্রমণ শেষে ক্লান্ত যাত্রীকে সিদ্ধান্তহীনতার কারণে ঘন্টার পর ঘন্টা খোলা আকাশের নিচে রোদের ভিতরে দাঁড় করিয়ে রাখাও অমানবিক। এসব বিষয়ে কেউ দৃষ্টি আকর্ষণ করা আর ফাইভ ষ্টার মানের সেবা প্রত্যাশা করা কি এক কথা ?

নিজেদের দুর্বলতার কথা স্বীকার করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, "আমাদের তো দৈন্য আছে"।আমরাও এ কথা বিশ্বাস করতে চাই বাংলাদেশের অনেক দুর্বলতা আছে  ।


 তবে দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে  সকারের অন্নান্ন মন্ত্রীদের সাথে পররাষ্ট্রমন্ত্রী কথার কোনো মিল নেই। যেমন ধরুন " শেখ হাসিনার মতো নেত্রী পেয়েছি বলেই করোনা প্রতিরোধ করতে পারছি: নাসিম।করোনা ভয়ঙ্কর শক্তিশালী ,আমরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তার চেয়েও শক্তিশালী :কাদের। করোনা নিয়ন্ত্রণে আমেরিকা -ইতালির চেয়েও বেশি সফল বাংলাদেশ : স্বাস্থমন্ত্রী। করোনা প্রতিরোধে ঢাকা বিমানবন্দরের মতো ব্যবস্থা উন্নত দেশগুলোতেও  নেই : শাহরিয়ার। করোনা মোকাবেলায় চীনের মতো হাসপাতাল বানানো হবে : অর্থমন্ত্রী।উন্নত দেশের চেয়ে বাংলাদেশে  করোনা প্রস্তুতি ভালো: তথ্যমন্ত্রী।এসব কথা শুনে  প্রবাসীরা বিভ্রান্ত হচ্ছে।তার পরেও বিশেষ প্রয়জন ছাড়া এই মুহূর্তে দেশে যাবার কথা কেউ ভাবছেও না। 

মন্ত্রী নিজেও দীর্ঘদিন প্রবাসে ছিলেন।প্রবাসে বেড়ে ওঠা আমাদের নতুন প্রজন্ম দেশে গেলে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বড়রাও পেটের পীড়া ,চোখ সহ নানা সমস্যায় জর্জরিত হন।
যাত্রীরা সবাই ২০/২৫ অনেকে ৩০ ঘন্টা ভ্রমণ করে দেশে পৌঁছায়।সবাই থাকে ক্লান্ত। হটাৎ আবহাওয়ার  ব্যাপক  পরিবর্তন। অনেকের সাথে থাকে শিশু ও বৃদ্ধ। তাদের একটু বিশ্রাম। খাবার ,পানি ইত্যাদি সরবরাহ করা কি একটা রাষ্ট্রের জন্য অসম্ভব ?যদি তাই হয় তবে কেন আরো আগে ওই সব দেশের ফ্লাইট বন্ধ করা হলো না? এ ব্যার্থতা কার ?সরকার কেন আইন করলোনা যে এই মুহূর্তে যারা দেশে আসবেন  তাদেরকে অর্থের বিনিময়ে ১৪ দিন ক্যাম্পে থাকতে হবে ?

 
  ইউটিউবে  প্রবাসীর একটা ভিডিও দেখলাম। কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইনে ইতালি ফেরত প্রবাসী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বলে অভিযোগ তুলে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছে পুলিশের  দুই এসআই । মিঠামইন উপজেলার ঘাগড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী শেখ ইকবাল হোসেন নামের ওই প্রবাসী সোশ্যাল মিডিয়ায় তার এ অভিযোগ সম্বলিত বক্তব্য আপলোড করেন।সাহায্য চান সবার কাছে।  সেখানে তিনি জানান, মিঠামইন থানার দুই এসআই তার কাছে এক লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। সেই টাকা না দিলে হাতে হ্যাণ্ডকাপ লাগিয়ে থানায় নিয়ে যাবার হুমকি দিয়েছেন ।বাস্তবতার মুখো মুখী অনেক প্রবাসীদের কাছ থেকে  এ ধরণের অভিযোগ প্রায় শুনা যায়। 

কিছুদিন আগে এক সিলেটি ভদ্রলোকের সাথে কথা হলো আমার। তিনি  আওয়ামীলীগের অন্ধ ভক্ত।আর্থিক ভাবে বেশ সচ্ছল। লন্ডনে কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও একাধিক বাড়ি আছে তার।এক মন্ত্রীর অনুরোধে তিনি দেশে মোটা অংকের ইনভেস্ট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেভাবে দেশও গেলেন। হটাৎ একদিন থানা থেকে পুলিশের টেলিফোন এলো। ওসি সাহেব থানায়  যেতে বললেন। ভদ্রলোক পাত্তা দিলেন না। দুদিন পর আবার ফোনে এলো।  ওসি সাহেবের কাছে জানতে চাইলেন পার্সোনাল মোবাইল নাম্বার কোথায় পেলেন তিনি। জবাবে ওসি সাহেব জানালেন থানায় আসেন সব বলবো। থানায় যোগাযোগ আছে এমন একজনকে পাঠালেন ভদ্রলোক। নিজে গেলেন না। সে এসে বললো প্রধানমন্ত্রী লন্ডন সফর কালে অনেকে তাকে ডিম্ ছুড়ে মেরেছেন। ওই প্রতিবাদীদের সাথে এই ভদ্রলোকের চেহারার মিল আছে কিনা সেটা মিলানোর জন্য তাকে থানায় ডাকা হয়েছে।


 ভদ্রলোক বলছেন একথা শুনে আমি ভয়ে পাথর হয়ে গেলাম। কাউকে কিছুই না বলে এককাপড়ে ঢাকা চলে আসি এবং নতুন করে টিকেট করে ফ্লাই করি  লন্ডনে। এ সরকার ক্ষমতায় থাকতে আর দেশে যাবেন না বলেও জানান ভদ্রলোক ।

একজন প্রবাসী সংবাদকর্মী হিসাবে এধরণের অসংখ্য ঘটনার  নীরব সাক্ষী আমি । এদেশে বেড়ে ওঠা আমাদের ছেলে মেয়েরাও এসব ঘটনা জানে। বাংলাদেশ সম্পর্কে একটা নেগেটিভ ধারণা নিয়ে বড়ো হচ্ছে তারা। এদের অধিকাংশের দেশে যাবার কোনো আগ্রহ নেই।অভিভাবকরাও হতাশ হয়ে  দেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন  ।দেশের সম্পদ বিক্রি করে প্রবাসে নতুন প্রজন্মের জন্য বাড়ি গাড়ি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখছেন  পশ্চিমা দেশে বসবাসরত অধিকাংশ প্রবাসী বাংলাদেশি। এটা বাংলাদেশের জন্য এক অশনি সংকেত।এর অবসান প্রয়োজন । দেশের নীতি নির্ধারকরা এসবকিছু বিবেচনায় এনে একটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারেন প্রবাসীদের ব্যাপারে অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে।তা না হলে চড়া দামে খেসারত দিতে হতে পারে প্রিয় বাংলাদেশকে।

শেখ মহিতুর রহমান বাবলু ,Sheikh Mohitur Rahman Bablu

লেখক : প্রবাসী সাংবাদিক ,কলামিস্ট ,লেখক 
London 20.03.2020