ভ্রমণ কাহিনী :প্রকৃতির  কাছে  মানুষ কত অসহায় 


ভ্রমণ কাহিনী :প্রকৃতির  কাছে  মানুষ কত অসহায় 

শেখ মহিতুর রহমান বাবলু : বছর  তিনেক আগের কথা।সেবার গ্রীষ্মে  বাংলাদেশের  স্বনামধন্য আবাসন প্রতিষ্ঠান শাপলা সিটি লিঃ ইতালি ও স্পেন সহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশের বড় বড় শহরে  রোড শো করার পরিকল্পনা করলো।রোড শো আলোকিত করতে ঢাকা থেকে উড়ে এলেন তুমুল জনপ্রিয় অভিনেতা  ফজলুর রহমান বাবু ও স্বনামধন্য কণ্ঠশিল্পী মুনির খানের মতো ১২/১৩ জন তারকা শিল্পী । শাপলা সিটি লিঃ এর ব্যাবস্থাপনা পরিচালক মোঃ বদরুদোজারও আসার কথা ছিল শিল্পীদের সাথে  ।কিন্তু শেষ মুহূর্তে তিনি আসতে পারলেন না।কাকতালীয়ভাবে বিশাল বাজেটের এই রোড শো পরিচালনার দায়িত্ব পড়লো আমার ও বন্ধু  জাহাঙ্গীর আলম সিকদারের উপর।

মধ্য ইউরোপের শিল্পে সমৃদ্ধ  দেশ ইতালি।জীবনের অনেকটা দিন অতিবাহীত করেছি সেখানে।বলতে গেলে আমার জীবনের সবচাইতে মূল্যবান সময়টুকু  কেটেছে  সম্ভামনাময় ওই  দেশটিতে ।ইউরোপের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও শিল্প-সংস্কৃতির এক অনন্য তীর্থভূমি ইতালিতে দীর্ঘদিন থাকলেও সেদেশের অনেক কিছুই দেখা হয়নি। তার মধ্যে  পম্পেই নগরী ও ভিসুভিয়াস অন্যতম। শাপলা সিটি লিঃ এর  রোড শোর  তালিকায় ইতালির ন্যাপোলি শহরের নাম দেখে মনটা আনন্দে নেচে উঠেছিল। 

লন্ডন থেকে আমি ও জাহাঙ্গীর ভাই গিয়ে পৌছালাম ন্যাপোলি শহরে। আমাদের থাকার হোটেল থেকে পম্পেই   নগর বেশি দূর নয় ,একথা আগেই জেনেছি ।হোটেলে লাগেজ রেখেই পাহাড়ী উঁচু নিচু পথ বেয়ে বেরিয়ে পড়লাম ভূমধ্যসাগরের উপত্যকায় ভিসুভিয়াস পাহাড়ের পাদদেশে ন্যাপোলি   শহরের পাশেই গড়ে ওঠা এক সময়কার পৃথিবীর প্রাচীনতম অভিজাত জনপদগুলোর একটি পম্পেই নগরীর দিকে ।

“মাউন্ট ভিসুভিয়াস” ইতালির ন্যাপোলি উপসাগরীয় অঞ্চলের একটি আগ্নেয়গিরি। ন্যাপোলি থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার পূর্বে সমূদ্র উপকুলের খুব কাছেই এর অবস্থান। ভিসুভিয়াসের পাঁচ মাইল দক্ষিণ-পূর্বে  পম্পেই নগরীর অবস্থান। শহরটির এক পাশে রয়েছে সমুদ্র, অপর দিকে সবুজ ভেসুভিয়াস পাহাড় ও বিশাল আকাশ। নগরীটি দু’ভাগে বিভক্ত ছিল। একটি নিচু স্থান, যার নাম পম্পেই এবং অপরটি উঁচু , নাম হার্কুলেনিয়াম।

দুপুর গড়িয়ে  বিকাল। আকাশ ভরা  সোনাঝরা রোদ। চার পাশে পাহাড়ের অপরূপ সৌন্দর্যের হাতছানি।আমরা পম্পেই নগরীর মূল ফটকে গিয়ে পৌছালাম। সেখানে পৌঁছে মনটা ভারাক্রান্ত হলো। বুকের ভিতর টন টন করে ব্যাথা অনুভব করতে লাগলো।কারণ ততক্ষনে দর্শনার্থীদের জন্য পম্পেই নগরীর প্রবেশ দার বন্ধ হয়ে গেছে। খোলা আছে কেবল বের হবার পথ।

জাহাঙ্গীর ভাই অতিশয় চালাক মানুষ। যে কোনো পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। আমাকে শান্ত হতে বললেন। হাত ধরে টেনে নিয়ে গেলেন পম্পেই নগরীর বেরহবার পথে ।আমাকে একটু দূরে দাঁড় করিয়ে রেখে সেখানকার নিরাপত্তা রক্ষীর সাথে ফিস ফিস করে কি যেন বললেন। মানি ব্যাগ থেকে কি যেন বের করে গুঁজে দিলেন নিরাপত্তা রক্ষীর হাতে।অমনি পিছনের দরজা দিয়ে ভিতরে ঢুকার সুযোগ তৈরী হলো ।

প্রায় দু’হাজার বছর আগে কথা। সে সময় প্রাকৃতিক সম্পদ ও সৌন্দর্যের এক অপরূপ লীলাভূমি ছিল পম্পেই নগরী।প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বিপুল সমাহার কাজে লাগিয়ে রোমানরা এটিকে অপরূপ সজ্জায় সজ্জিত করতে পেরেছিল।গড়ে উঠেছিল নানা ধরনের বিনোদনকেন্দ্র, যার টানে সমগ্র পৃথিবীর ভ্রমণপিপাসু অভিজাত সমাজ ভিড় করতো  সেখানে।সবাই অবসর কাটানোর জন্য ছুটে যেত প্রাচীনকালের আধুনিক সভ্যতার সব ধরনের চিত্তরঞ্জনের সমাহার থাকা এই প্রাণচঞ্চল শহরে। বণিক ও পর্যটকদের জন্য সেখানে গড়ে উঠেছিল অত্যাধুনিক  প্রমোদকেন্দ্র। সহায়-সম্পদ আর বিত্ত-বৈভবের অভাব ছিল না পম্পেইবাসীর।

 

৭৯ খ্রিষ্টাব্দের ২৪ আগস্ট।সারা  শহরে চলছে ভোগ বিলাসিতা অশ্লীলতা আর জীবনের চাঞ্চল্যতা ।হঠাৎ এক প্রচণ্ড বিস্ফোরণে আকাশবাতাস কেঁপে উঠল। ভিসুভিয়াস পর্বতের আগ্নেয়গিরিতে শুরু হলো  বিরাট ধরনের অগ্ন্যুৎপাত।  পম্পেই শহরসহ শহরের দুই লাখ অধিবাসী দিনদুপুরে মাত্র অল্প কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে অন্তত ৭৫ ফুট অগ্নির লাভা ,কাদা , পাথর আর ছাইভস্মের নিচে বিলীন হয়ে  গেল । তাত্ক্ষণিক জীবন্ত কবর রচিত হলো শহরের সব মানুষ, প্রাণী ও উদ্ভিদসম্ভারের।তারপর থেকে প্রকৃতির অভিশপ্ত এবং পাপিষ্ঠ শহর হিসেবে এই শহর প্রায় ১৭০০ বছর ধরে আধুনিক মানবসভ্যতার অগোচরে থেকে যায়। কেউ কখনো  ভুল করেও প্রবেশ করেনি সেখানে । 

এর অনেক বছর পর ১৭৪৯ খ্রিস্টাব্দে কিছু অ্যামেচার আর্কিওলজিস্ট সর্বপ্রথম আবিষ্কার করেন ধ্বংস হয়ে যাওয়া পম্পেই নগরী। শুরু হয় রাষ্ট্রীয়ভাবে ধ্বংসলীলা থেকে মমি হয়ে থাকা মৃতদেহ আর অভাবনীয় সব স্থাপনা উদ্ধারের মহাযজ্ঞ। আর ধীরে ধীরে সেখানে বাড়তে থাকে উত্সাহী জনতার আনাগোনা। 


অবাক করা বিষয় হচ্ছে, দুই হাজার বছরের পুরনো এই ধ্বংসলীলা থেকে অবিকৃত অবস্থায় অনেকের  দেহগুলো পাওয়া গেছে । যে যেভাবে ছিল, অবিকল সেভাবেই পড়ে আছে।এ এক মর্মান্তিক দৃশ্য। চোখে  দেখলে ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব । 


জাহাঙ্গীর ভাই আর আমি ভিতরে প্রবেশ করলাম।সারি সারি স্তম্ভ, প্লাস্টার  খসে পড়া দেয়াল, লম্বা পাথরের রাস্তা চলে গেছে শহরের আরেক মাথা পর্যন্ত। দেব-দেবীর মন্দির।চমৎকার রাস্তা ও ফুটপাতগুলো বৃষ্টির জল নেমে যাওয়ার জন্য সামান্য ঢালু করে তৈরি।পম্পেই ইট-পাথরের মৃত নগরী হলেও সেখানে চোখ জুড়ানো  সবুজের ছোঁয়া আছে সবখানেই। বিশেষ করে প্রাচীন আবহ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়েছে  উদ্যানগুলোতে। সেই সময়ের গাছ রোপণ করে। এছাড়া বড় ঘরগুলোর ভেতরের এক চিলতে বাগান তো আছেই।

 

মনের অজান্তে কখন যে ২০০০ বছর পিছনে হারিয়ে গেছি টেরও পাইনি।হাটছি আর  ছবি তুলছি।গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ভিডিও করছেন জাহাঙ্গীর ভাই।চোখে পড়লো একটি  মনিকারের দোকান।দোকানের ভিতরে  একটি ছোট বালকের কঙ্কাল। কঙ্কালটি  একটি সুন্দর বিছানায় শায়িত। কাছেই রয়েছে তার মধ্যাহ্নভোজের জন্য প্রস্তুত একটি মুরগির দেহাবশেষ।


একটি ঘরের কোনায় বসে আছে একটি লোক। তার নাক এবং মুখের সামনে ধরা আছে তার দু’খানি হাত।বোধহয় বিষাক্ত গ্যাস থেকে বাঁচতে চেষ্টা করেছিল। এক পিতা হামাগুড়ি দিয়ে এগোতে চেষ্টা করেছে তার  ছেলেমেয়েদের কাছে।


আর একটি বাড়ির ছোট্ট কামরায় দেখলাম  একটি লোকের কঙ্কাল। কঙ্কালটির অবস্থান দেখে মনে হয় লোকটি বিছানায় মুখ ঢেকে  শুয়ে পড়েছিল।হয়তো আগ্নেয়গিরির বিষাক্ত গ্যাস থেকে বাঁচার জন্য অথবা জীবনের সব আশা ভরসা ছেড়ে দিয়ে অসহায়ভাবে অপেক্ষা করছিল অগ্রসরমান লাভার শেষ ঢেউটির জন্য যে ঢেউ তাকে তলিয়ে দেবে মৃত্যুর অতল গহবরে । কারণ ঘরটি ছিল তালাবদ্ধ। তাই তার পালানোর উপায় ছিল না।

তখন মধ্যাহ্নভোজের সময় হয়ে এসেছিল। আশ্চর্যজনক যে, শত শত বছর পরও পাওয়া গিয়েছিলো  এক টুকরো রুটির ধ্বংসাবশেষ। মনে হয় সেই প্রলয়ঙ্করী ধ্বংসযজ্ঞের সময় কেউ রুটিছিঁড়ে খাচ্ছিল। অনেক বাড়ির খাবার টেবিলে তখন দেয়া হয়েছিল মধ্যাহ্নভোজের আহার্য দ্রব্য।বাজারের সামনে  আধা প্যাক করা অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিলো  চমৎকার কতগুলো কাঁচা  দ্রব্য। ডাইওনিসিয়াসের মূর্তিটি  পড়ে ছিল  এক ঝালাই করার দোকানে মেরামতের অপেক্ষায়। রুটি তৈরির কারখানায় রুটি সেঁকার ব্রোঞ্জের পাত্রগুলো এখনো অবস্থান করছে উনুনের ওপর। আর বাইরে গমভাঙার কলের সাথে জুড়ে আছে কতগুলো গাধার হাড়। মনে হয় সেই বিপর্যয়ের সময় গাধাগুলো গম ভাঙানোর কল ঘোরাচ্ছিল।


এরকম অসংখ্য প্রলয়ঙ্করী ধ্বংসযজ্ঞের নিদর্শন থরে থরে সাজানো পম্পেই শহরে। যা অল্প সময়ে দেখে শেষ করা অসম্ভব ।এদিকে আমাদের বেরিয়ে যেতে বলা হলো ।ভ্রমণের জন্য নির্ধারিত সময় শেষ।মন ভরা বিষন্নতা ও না দেখার অতৃপ্ত তৃস্না নিয়ে বেরিয়ে এলাম। 

অন্যায় অত্যাচার ব্যাভিচার ও নানা পাপাচারের কারণে  অতীতে বহু অভিশপ্ত জাতি ধ্বংস হয়েছে বলে বিবরণ রয়েছে পবিত্র  কোরআন ও হাদিসে । যুগে যুগে জুলুম নির্যাতন বন্ধ করে উদাসীন জাতি গোষ্ঠী  স্রষ্টার আরোপ করা বিধি-নিষেধের প্রতি আনুগত করার জন্য সৃষ্টিকর্তা  নানামুখী গজব দিয়েছেন বলে মনে করেন ধার্মিকরা। সেসব পাপাচার ও গজবের সুস্পষ্ট চিত্র আজও দৃশ্যমান পম্পেই  নগরীতে।


সে সময় পম্পেইবাসী নিজেদের চিত্তরঞ্জনের জন্য উদ্ভাবন করতো ঘৃণ্যতম সব পন্থা। স্রষ্টার নির্দেশাবলি অস্বীকার করে নানা ধরনের অমানবিক, হিংস্র আর নোংরা কর্মকাণ্ডে  ডুবে থাকতো তারা ।নিছক বিনোদনের জন্য জনসমাগম করে, বিপুল জনতার সামনে তারা মানুষ ও পশুতে, কখনো বা মানুষে-মানুষে যুদ্ধ বাধিয়ে দিত। এই মানুষ ও পশু বা মানুষে-মানুষে একে অপরকে সর্বশক্তি প্রয়োগ করে আঘাত করে যতক্ষণ রক্তাক্ত করে কোনো একজনকে চিরতরে দুনিয়া থেকে বিদায় না করত, ততক্ষণ পর্যন্ত চলত এই বর্বরোচিত অমানবিক খেলা। আর এই মরণখেলা উপভোগ করত সে সময়ের রোমান অভিজাত শ্রেণির দর্শকরা। অবলা পশু বা মানব হত্যা করে  তারা খুঁজত চিত্তবিনোদন।

যৌনতা , ব্যভিচার, সমকামিতা ও পতিতাবৃত্তিতে  ছিল এরা অন্ধ। শুধু যৌনকার্যের জন্য প্রতিটি বাড়িতে আজও দেখা যায়  আলাদা স্থাপনা। বাড়িঘরের দেয়ালে দেয়ালে অঙ্কিত  নগ্ন পর্ণচিত্র। নিজেরা তো যৌনতায় ডুবে থাকতই, সেই সঙ্গে নিজের ছেলে-মেয়েদের দিয়েও বণিক ও পর্যটকদের যৌন বিনোদনের ব্যবস্থা করতে তারা কৃপণতা করতো  না। এমনকি তারা নিজেরা পশু-পাখির সঙ্গেও যৌন বিকৃতির পিপাসা মেটাত।


কালের বিবর্তনে কয়েক হাজার বছরের পুরনো সেই পম্পেই  নগরী এখন আবার  পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত । কিন্তু চির উন্নত সেই পম্পেই নগরী ইতিহাসের অভিশপ্ত নগরী হয়ে মানুষের শিক্ষা গ্রহণের পাঠশালা হয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে। বর্তমানে ইতালি সরকার বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে এই নগরীকে ঐতিহাসিক জাদুঘরে রূপ দিয়েছে ।সেখানে বছরে প্রায় ২৫ মিলিয়ন পর্যটক ভ্রমণ করে। 

বর্তমান বিশ্বে চলছে এক ভয়ানক  যুদ্ধ।এটা অন্যসব যুদ্ধের মতো নয়। জীবাণু যুদ্ধ।  যা আগে কখনো হয়নি। কোভিড-১৯  বা করোনা ভাইরাসের কাছে সবাই আজ  অসহায়।শক্তি , মহাশক্তি ,পরাশক্তি মারণাস্ত্র সব কিছুই অচল হয়ে পড়েছে ।ধনী, দরিদ্র ,সাদা, কালো সবার ঘুম কেড়ে নিয়েছে এক অদৃশ্য শত্রু।প্রথিবী সৃষ্টির পর থেকে মানুষ এতো অসহায় হয়নি কখনো। পূর্বে বিশ্ব যুদ্ধ বা মহামারী যা হয়েছে সবই ছিল অঞ্চল ভিত্তিক । কিন্তু বর্তমান করোনা ভাইরাসের বিষাক্ত থাবায় ক্ষত বিক্ষত সমগ্র বিশ্বের মানব কুল।সবাই যেন আজ একই কাতারে এসে দাঁড়িয়েছে। অন্ধকার গলি ধরে ছুটে  চলেছে অজানা গন্তব্যে।এ মহামারী থেকে কবে কোথায় কিভাবে মুক্তি মিলবে কেউ জানে না। 


  আমরা মানুষরা অনেক নিষ্ঠুরতা দেখিয়েছি। পাশবিকতার শেষ সীমাটাও  অতিক্রম করেছি।বিশ্ব রাজনীতির নামে  আজ যা কিছু হয় তার অধিকাংশই  মিথ্যাচারে ঠাসা। সবকিছুর পেছনে  স্বার্থ অর্থ ও ক্ষমতার লালসা জড়িয়ে থাকে । ৭৯ খ্রিষ্টাব্দের অভিশপ্ত পোম্পাই বাসীর মতো অমানবিক, ঘৃণ্যতম ও বর্বরোচিত সমাজব্যবস্থা থেকে আজকের সমাজ ব্যাবস্থার খুব বেশি পার্থক্য নেই। সুতরাং আমাদের কৃতকর্মের জন্য ,এই সুন্দর পৃথিবী পম্পেই নগরীর  মতো ইতিহাসের অভিশপ্ত পৃথিবী রূপে মানুষের শিক্ষা গ্রহণের পাঠশালা হয়ে আত্মপ্রকাশ না করে এই প্রত্যাশা করি।লন্ডন : ২০.০৫.২০২০.

শেখ মহিতুর রহমান বাবলু , Sheikh Mohitur Rahman Bablu in Pompeii,Italy
লেখক : Editor : Newslife24.com